কিডনি রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার। কিডনির ব্যথা কোথায় হয়। কিডনি রোগের ঔষধ কি

কিডনি রোগের লক্ষণ হলো শরীরের ওজন হ্রাস পাওয়া , ক্ষুদামন্দা , শরীরের বিভিন্ন অংশে পানি জমে ফুলে যাওয়া , প্রসাবের সাথে রক্ত বের হওয়া বা প্রসাবের পরিমান হ্রাস পাওয়া , ঘুম কম হওয়া, শরীরে ক্লান্তি ভাব আসা , শরীরে বিভিন্ন অংশে চুলকানি হওয়া , অসুস্থ বোধ করা , মাঝে মাঝে মাথা ব্যাথা করা ইত্যাদি কিডনি রোগের লক্ষণ।

কিডনি ও ডায়াবেটিস রোগ হচ্ছে নীরব ঘাতক । তাদের যন্ত্রনার শেষ নেই যাদের এ দুটো রোগের থেকে একটি রোগ আছে। খাদ্যাভ্যাস , জীবনযাপন , ও চালাফেরায় অনেক পরিবর্তন আনতে হয়।

একজন মানুষ নানা রকম শারীরিক জটিলতার মুখে পড়েন যদি কিডনির কার্যক্ষমতা কমে যায়।
কিডনি একেবারে অকার্যকর হয়ে গেলে মানুষের মৃত্যু হতে পারে।

অনেক সময় সুস্থ জীবন যাপন করা সম্ভব যদি কিডনি রোগের লক্ষন ও প্রতিরোধ সর্ম্পেকে উপায় গুলো জানা থাকে। কিডনি হলো মানব দেহের ‍অত্যান্ত গুরুত্ব পূর্ন একটি অঙ্গ। রক্তে উপস্থিত দূষিত পদার্থ গুলো পরিশোধন করে ও মূত্র তৈরি করে সেগুলো কে দেহ থেকে বের করে দেওয়ার ব্যাবস্থা করে কিডনি ।

একজন মানুষ দীর্ঘমেয়াদি শারীরিক জটিলতায় অক্রান্ত হয়ে ধুকে ধুকে মারা যায় একটি মাত্র অকার্যকর কিডনির জন্য। এজন্য কিডনি সুস্থ রাখা অত্যান্ত জরুরি অন্যান্য অঙ্গ পতঙ্গ সুস্থ রাখার পাশাপশি। খুব নীরবে শরীরের ক্ষতি করে এই কিডনির রোগ ।

রক্তে বর্জ্য পদার্থ বাড়তে পারে কিডনি অকার্যকর হয়ে গেলে। এটি শরীরে রেশ তৈরি করতে পারে ও চুলকানি হতে পারে। বমি বমি ভাব বা বমির সমস্যা হতে পারে রক্তের বর্জ্য পদার্থ বেড়ে যাওয়ার কারনে। ফুসফুসে তরল পদার্থ জমা হয় কিডনি রোগের কারনে।

রক্ত শুন্যতাও দেখা দেয় এই কিডনি রোগের কারনে। অনকেই ছোট ছোট করে শ্বাস নেয়, কারন শ্বাস কষ্টের সমস্যা হয়। কিডনি রোগের লক্ষণ এর কারনে শরীরে রক্ত শুন্যতা হলো।

তবে ক্ষতিকর খাবার খাওয়া , দূষিত পানি পান করা , মূত্র চেপে রাখা ইত্যাদির ফলে কিডনি বিকল হয়ে পড়ে। কেউ দ্রুত টেরও পায় না কিডনিতে কোন সমস্যা হলে।

কিডনি রোগের লক্ষন হলো

প্রায় সব কিছুতেই ক্লান্ত লাগা :
কাজে ক্ষমতা হাড়িয়ে ফেলা কিডনি সমস্যার অন্যতম একটি লক্ষন। কিডনির প্রধান কাজই হলো রক্তে কে পরিষ্কার ও পরিশুদ্ধ করা। তাই কিডনি সঠিক ভাবে কাজ না করলে রক্তে ও অপ্রোজনীয় উপদান বাড়তে থাকবে । রক্ত সঠিক ভাবে সঞ্চালন না হলে শরীর ক্লান্ত লাগে। এমনকি রক্তাল্পতার সমস্যাও দেখা দিতে পারে । রক্তাল্পতার প্রধান কারনই হলো স্বভাবিকের চেয়ে বেশি ক্লান্ত হওয়া এটিও কিডনি রোগের লক্ষণ ।

অনিদ্রা:
কিডনি ঠিক ভাবে কাজ না করলে মূত্রের মাধ্যমে শরীর থেকে অপ্রোজনীয় বর্জ্য পদার্থ গুলো বের হতে পারে না । যার কারনে অনিদ্র হয়। অনিদ্রা হলো ঘুমের বাধা যার কারনে ঘুমের সমস্যা হয়। কিডনিতে সমস্যার কারনে দীর্ঘ সময় বিছানায় শুয়ে থাকার পরও ঘুম আসে না। অনিদ্রাও হলো কিডনি রোগের লক্ষণ

কিডনি রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার

কিডনি রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার
কিডনি রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার

কিডনিতে রোগের সংকেত বহন করে কিছু কিছু লক্ষন । যেমন ; ঘন ঘন প্রসাব করা , প্রসাব করার সময় জ্বালা পোড়া করা , প্রসাব লাল হওয়া , প্রসাবে দূর্গন্ধ হওয়া , তল পেটেকোমরে দুই পাশে প্রচন্ড ব্যাথা , মুখ ও শরীর ফুলে যাওয়া ইত্যাদি।

কিডনি রোগের লক্ষন গুলো নিচে দেওয়া হলো

  • ঘন ঘন শ্বাস: কিডনি সমস্যার কারনে ফুসফুসে এক ধরনের তরল পদার্থ জমা হয়ে থাকে। এছাড়াও রক্ত শুন্যতা দেখা দেয় কিডনি রোগের কারনে।যার কারনে শ্বাস কষ্ট হয়। শ্বাস কষ্ট কিডনি রোগের লক্ষণ ।

  • শরীর ফোলা ভাব: কিডনি শরীর থেকে বিষাক্ত পাানি ও বর্জ্য পদার্থ বের করে দেয়।এই বিষাক্ত পানি বের হতে সমস্যা হয় কিডনিতে রোগ হলে।শরীরে ফোলা ভাব তৈরি করে বিষাক্ত পানি।

  • প্রসাবের সাথে রক্ত বের হওয়া : এটি খুবই ঝুকির বিষয় যদি প্রসাবের সাথে রক্ত বের হয়। প্রসাবের সাথে রক্ত বের হলে অতি দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। কিডনি রোগের লক্ষন এটি।

  • মনযোগ দিতে অসুাবিধা : কিডনি সমস্যার কারনে শরীরে লোহিত রক্ত কনিকা কমে যায়। যার ফলে মস্তিষ্কে অক্সিজেনের পরিমান কমে যায়।এজ্যই মনযোগ দিতে অসুবিধা হয় এটিও কিডনি রোগের লক্ষন ।

কিডনি রোগের প্রতিকার :


কিডনি রোগের লক্ষণ আগে জানতে হবে তারপর প্রতিকার করতে হবে। ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্ত চাপ কিডনি রোগের অন্যতম ঝুকির কারন।তাই নিয়মিত ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে , যাদের উচ্চ রক্ত চাপ ও ডায়াবেটিস আছে।

ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চলতে হবে , জীবন যাপন করতে হবে ও মেডিসিন খেতে হবে । যেন ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্ত চাপ সব সময় নিয়ন্ত্রিত থাকে।শরীরে অতিরিক্ত ওজন কমিয়ে ফেলতে হবে ও নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম করতে হবে ।

যারা ধুমপান করে তাদের ধুমপান ছেড়ে দেওয়া বাধ্যতা মূলক।আমরা যে খাবার পাতে অতিরিক্ত লবন খাই এই অতিরিক্ত লবন খাওয়া কিডনি রোগীদের বাদ দিতে হবে।

এছাড়াও লক্ষ রাখতে হবে , রক্তে কলস্টেরল যেন স্বাভাবিক মাত্রায় থাকে । প্রতিদিন অনেক পরিমানে ফলমূল ও শাক সবজি খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে।যাদের কিডনি রোগ আছে তাদের ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ফলমূল খাওয়া যাবে না ।

কিডনি ভালো রাখার উপায়

সবারই বিশুদ্ধ পানি পান করতে হবে কিডনি ভালো রাখার জন্য । জ্বর , ডাইরিয়া , বমি হওয়া বিভিন্ন অসুস্থতা ও ব্যায়ামের পর পানির চাহিদা বেড়ে যায় । পর্যাপ্ত পরিমান বিশুদ্ধ পানি , স্যালাইন এবং তরল খাবার খেতে হবে যদি ডাইরিয়া বা বমি হয় ।

নিচে কিছু কিডনি ভালো রাখার উপায় সম্পের্ক বর্ণনা করা হলো।

  • বাড়তি ওজন কমাতে হবে এবং ওজন সব সময় নিয়ন্ত্রনে রাখতে হবে ।

  • ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলতে হবে ও সুষম খাদ্য গ্রহন করতে হবে।

  • নিয়মিত ৩০ মিনিট ব্যায়াম করুন যেমন ; সাইকেল চালানো , দৌড়ানো , ফ্রি-হ্যান্ড ,হাটা ইত্যাদি।

  • পান- জর্দা, এলকোহল , ধুমপান ত্যাগ করতে হবে।ধুমপানের কারনে কিডনিতে রক্ত সঞ্চালন কমে যায়।যার কারনে কডিনির কার্যক্ষমতা কমে যায়।

  • প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমানে ঘুম দরকার । দিনে ৭-৮ ঘন্টা।
  • মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রনে রাখুন ।

কিডনি কত পয়েন্ট

প্রতি ডেসি লিটার রক্তের মান ০.৬-১.২ মিলিগ্রাম একজন স্বভাবিক পুরুষের ক্ষেত্রে।একটা কিডনি যাদের নেই ক্রিয়েটিনিন মাত্রা তাদের ক্ষেত্রে প্রতি ডেসি লিটার রক্তে ১.৮ মিলিগ্রাম স্বভাবিক হয়ে থাকে।

অধিকাংশ ইউরোপীয় দেশে ও যুক্তরাষ্টে ক্রিয়েটিনিন পরিমাপের এর একক হলো mg/dL। আরেক দিকে কানাডা , অস্ট্রেলিয়া এবং ইউরোপীয় কিছু দেশে ক্রিয়েটিনিন পরিমাপের এর একক হলো mol/LI এর এক mg/dL ক্রিয়েটিনিন হলো 88.0 mol/LI

নিচে ক্রিয়েটিননিন এর মাত্রা দেওয়া হলো :

  • প্রতি ডেসি লিটার রক্তের ক্রিয়েটিননিন এর মান ০.৬-১.২ মিলিগ্রাম একজন স্বভাবিক পুরুষের ক্ষেত্রে।

  • প্রতি ডেসি লিটার রক্তের ক্রিয়েটিননিন এর মান ০.৫-১.১ মিলিগ্রাম স্বভাবিক নারীদের ক্ষেত্রে।

  • প্রতি ডেসি লিটার রক্তের ক্রিয়েটিননিন এর মান ০.৫-১.০ মিলিগ্রাম কিশোরী দের ক্ষেত্রে।

  • প্রতি ডেসি লিটার রক্তের ক্রিয়েটিননিন এর মান ০.৬-১.২ মিলিগ্রাম শিশু দের ক্ষেত্রে।

  • রক্তের ক্রিয়েটিননিন এর মান ০.৫মি.গ্রা./ডে.লি এর চেয়ে বেশি হলে কিডনি ড্যামেজ হয়েছে বুঝা যায় প্রাপ্ত বয়ষ্ক লোকেদের ক্ষেত্রে।

কিডনি রোগের ঘরোয়া চিকিৎসা

হাতে নাতে ফল মিলবে প্রতিদিন এক গ্লাস ধনে পাতার জুস খেলে । প্রসাবের মাধ্যমে বেড়িয়ে যাবে কিডনিতে জমে থাকা ‍নুন ও বিষাক্ত পদার্থ ।

কিডনি নয় শুধু ধনে পাতা মহৌষধ। এক আটি ধনে পাতায় রয়েছে ৪%প্রোটিন, ১% ক্যালরি, ১% কার্বহাইড্রেড, ১১% ফাইবার। কপার ১১%, আয়রন ১০%,ক্যালসিয়াম ৭%,পটাসিয়াম ১৫%, ম্যাঙ্গানিজ ২১%। আরও রয়েছে ভিটমিন A ৩৮৮%, ভিটমিন K ১৩৫%, ফলেট ১৬%, ভিটমিন C ৪৫%,

ধনে পাতার জুস কিভাবে তৈরি করতে হবে নিচে তা বর্নণা করা হলো :

  • এক আটিঁ ধনে পাতা পরিষ্কার পানিতে ধুয়ে নিতে হবে ।

  • ধনে পাতা গুলো কুচি কুচি করে কেটে নিতে হবে ।

  • পাত্রে পরিষ্কার পানি নিয়ে ধনে পাতার সাথে ১০ মিনিট ফুটাতে হবে ।

  • পাত্রের পানি ঠান্ডা হওয়ার পর ছেকে একটি বোতলে রাখতে হবে ।

  • এই বোতল ফ্রিজে রেখে দিতে পারেন ।
কিডনি রোগের ঔষধ কি

কিডনি রোগের ঔষধ দেওয়া হয়ে কিডনি রোগের চিকিৎসার মাধ্যমে। কিডনি রোগের অন্যতম চিকিৎসা হলো হোমিওপেথিক।

হোমিওপেথিক চিকিৎসার কয়েকটি ঔষধ এর নাম নিচে উল্লেখ করা হলো ;

  • এপিস মেলিফিকা: কিডনি রোগের তীব্র পর্যায়ে এই ঔষধ টি ব্যাবহার করা হয় না। শুরুতে কিডনি রোগের লক্ষন গুলো যেমন ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া , অনিদ্রা , শরীরে ক্লান্তি ভাব আসা , শরীরে বিভিন্ন অংশে চুলকানি হওয়া , অসুস্থ বোধ করা এমন সময়ে এই ঔষধ দেওয়া হয়।

  • আর্সনিকাম: এটি রোগের ভালো প্রতিকার গুলোর মধ্যে একটি এবং কিডনি রোগের সব পর্যায়ে এই ঔষধ টি ব্যাবহার করা হয় । রোগী রাতে শোয়ার সময় শ্বাস কষ্ট হয় এজন্যই এ ঔষধ টি দেওয়া হয়।

  • বেলাডোনা: কিডনি সমস্যার কারনে কোমরের দুই পাশে প্রচন্ড ব্যাথার জন্য এই বেলাডোনা ঔষধ টি দেওয়া হয়।


এছড়াও ডাক্তরের পরামর্শ অনুযায়ী আরও অনেক ঔষধ রয়েছে ।

কিডনি ইনফেকশনের লক্ষণ

মানব দেহের গুরুত্ব পূর্ন একটি অঙ্গ হলো কিডনি । কিডনিতে সমস্যা একটি জটিল সমস্যা । তাই আমাদের জানতে হবে কিডনিতে কিভাবে ইনফেকশন হয়।

কিডনিতে ইনফেকশন এর লক্ষন গুলো নিচে দেওয়া হলো ;

  • উচ্চ রক্তচাপ: উচ্চ রক্ত চাপ শরীরের জন্য ক্ষতিকর একটি সমমস্যা । অনেক সময় কিডনি সমস্যার কারনে হতে পারে ।

  • কম খিদে পাওয়া: পুষ্টি ও শক্তি দরকার আমাদের শরীর কে সুস্থ ভাবে চালানোর জন্য । এই পুষ্টি এবং শক্তি খাবার থেকে পেয়ে থাকি । কিডনিতে ইনফেকশনের কারনে আপনার খিদে নাও লাগতে পারে।এক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া দরকার।

  • প্রসাবের দ্বারা রক্ত বেরনো: আমরা সহজেই বুজে যাই যখন প্রসাবের সাথে রক্ত বের হয়। কিন্তু তখন বুজতে অসুবিধা হয় যখন প্রসাবের সাথে প্রোটিন বের হয়। এই বেপারে আমাদের ভালো ভাবে খেয়াল হবে। এজন্য আপনাকে যত দ্রুত সম্ভব ডাক্তারের কাছে যেতে হবে এবং সমস্যা গুলো খুলে বলতে হবে।

  • চর্মরোগ: কিডনির কাজ হলো রক্ত থেকে বর্জ্য পদার্থ পরিষ্কার করা । কিন্তু বর্জ্য পদার্থ বাইরে বেরতে পারে না কিডনির সমস্যার কারনে । এজন্য শরীরে নানা জায়গায় চুলকানি হয় ।

  • বমি বমি ভাব ও মাথা ঘোরা : শরীরে বর্জ্য পদার্থর সংখ্যা বেরে যায় কিডনি ঠিক ভাবে কাজ না করলে।এজন্য মাথা ঘোরা ও বমি বমি ভাব শুরু হয় ।

কিডনির ব্যথা কোথায় হয়

কিডনির ব্যাথা মেরুদন্ড থেকে একটু দূরে ডান পাশে বা বাম পাশে হয় । পেছনে পাজরের নিচের অংশেও হয় । কোমরের দুই পাশেও হয় এবং এই ব্যাথা নাড়াচাড়া করে থাকে । শোয়া বাা বসা কোন কিছুতেই আরাম মেলে না এবং এই ব্যাথা থেকে থেকে আসে ।

ব্যাথা মূল উপসর্গ নয় কিডনি সমস্যায় । এতে দূর্বলতা, অরুচি , শরীরে পানি আসা , ঘুম না হওয়া , বমি বমি ভাব ইত্যাদি দেখা দেয়। তবে অনেকেই চিন্তায় পরে যায় এটি কিডনির ব্যাথা নাকি মেরুদন্ডেরে ব্যাথা। অনেক সময় কিডনির ব্যাথা ও মেরুদন্ডের ব্যাথা পার্থক্য বুজতে পারেন না।
সেক্ষেত্রে আপনাকে ডিনির ব্যাথার লক্ষন গুলো জানতে হবে।

নিচে কিডনির ব্যাথার লক্ষন গুলো দেওয়া হলো :

  • উচ্চ রক্তচাপ কম বয়সে,
  • পা ও মুখ ফুলে যাওয়া,
  • বমি ভাব, দূর্বল ভাব , ক্ষুদামন্দা,
  • অল্প কাজ করার পরে নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া বা তাড়াতাড়ি ক্লান্ত হয়ে যওয়া ,
  • ঘন ঘন প্রসাব করা,
  • প্রসাবে জ্বালা পোড়া করা ,
  • প্রসাবের সময় রক্ত পড়া ইত্যাদি

Leave a Comment