খুশকি দূর করার উপায়। খুশকি কেন হয়। খুশকি দূর করার শ্যাম্পু

খুশকি দূর করার উপায় হলো লেবু ও খাটি সরিষার তেল। এক চামচ সরিষার তেল ও লেবুর রস ভালোভাবে মিশিয়ে মাথার ত্বকে ব্যবহার করুন । কিছুক্ষন শুকানো পর শ্যাম্পু দিয়ে ভালোভাবে মাথা ও চুল ধুয়ে ফেলুন ।

  • যাদের ঠান্ডা ও কাশের সমস্যা তাদের মাথায় লেবুর রস ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিশেষ সর্তক থাকতে হবে।চুল বিশেষজ্ঞ মতে বলা যায় যে ই-ক্যাপ ক্যপসুল খুশকি রোগের জন্য অনেক উপকারী । ই-ক্যাপ ক্যাপসুলে ভিটামিন ই ও এ পাওয়া যায় । যা খুশকি দূর করার জন্য অনেক ভাল একটি ক্যাপসুল

  • ই-ক্যাপ ক্যাপসুল রাতে ঘুমানোর আগে সরিষার তেলের সাথে ভালোভাবে মিশিয়ে চুলের গোড়ায় ভালোভাবে দিবেন এবং একটি করে ক্যাপসুল রাতে খাবেন ।

  • খুশকি দূর করার জন্য প্রচুর পরিমানে পানি পান করবেন এবং বিভিন্ন প্রাকৃতিক উপাদান চুলে ব্যবহার করবেন ।

পৌষ ও মাঘ মাস এই দুই মাস শীত কালের সময় মাথায় প্রচন্ড খুশকি বেড়ে যায় ।খুশকি বেড়ে যাওয়ার কারনে মাথায় চুলকানি শুরু হয় । তাই চুলকানি দূর করার জন্য মাথায় খাটি সরিষার তেল ব্যবহার করতে হবে ।

খুশকি দূর করার জন্য সপ্তাহে তিন বার অথবা চার বার মাথায় খাটি সরিষার তেল ব্যবহার করতে হবে এবং নিয়মিত চুল ও মাথা পরিষ্কার রাখতে হবে ।


অকালে চুল ঝরে যাওয়ার অন্যতম প্রধান কারন খুশকি । মেথি গুরা করে ও অ্যালোভেরা জেলের সাথে মিশিয়ে মাথার চুলে দেওয়া হলে খুশকি দূর হবে এবং ত্বক ভালো থাকবে ।

খুশকি দূর করার জন্য চুলে কৃত্তিম কসমেটিকস ব্যবহার না করার চেয়ে প্রাকৃতিক জিনিস ব্যবহার করা অনেক উত্তম ।

যেমনঃ মেহেদী পাতা ও নিম পাতা এক সাথে গুড়া করে খাটি সরিষার তেলের সাথে ভালোভাবে মিশিয়ে সপ্তাহে দুইবার অথবা তিনবার রাতে ঘুমানোর আগে ব্যবহার করবেন । এতে আপনার খুশকির সমস্যা অনেকটা দূর হয়ে যাবে ।

খুশকি সাধারনত হয়ে থাকে মাথার ত্বক রুক্ষ ও শুষ্ক থাকলে এবং যাদের মাথা দিয়ে অতিরিক্ত গরম বের হয় । তাই ত্বক রুক্ষ ও শুষ্ক এবং গরম দূর করার জন্য খাটি সরিষার তেলের সাথে মেথির গুরা মিশিয়ে চুলের গোড়ায় ব্যবহার করতে পারবেন । কিন্তু যাদের সর্দি ও কফের সমস্যা তাদের মেথির গুরা ব্যবহারের ক্ষেত্রে খুব সর্তক থাকতে হবে ।

দুই কাপ গরম পানিতে চা পাতা ও নিম পাতা ১৫ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন ।ঠান্ডা হলে তা চুলের গোড়ায় ২০ মিনিট ব্যবহার করুন ।এরপর পরিষ্কার পানি দিয়ে চুলগুলো ধুয়ে ফেলুন । অথবা ডাক্তারের পরামর্শে ভালো শ্যাম্পু ব্যবহার করুন ।এতে আপনার খুশকি চলে যাবে ।

খাটি সরিষার তেলঃ

খুশকি প্রতিরোধে খাটি সরিষার তেল বিশেষ ভূমিকা পালন করে । খাটি সরিষার তেল মাথার ত্বকের রুক্ষ ও আদ্রতা দূর করে । বিশেষ এক গবেষনায় দেখা গেছে যে , খাটি সরিষার তেল চর্মরোগ ও চুলকানি এই বিশেষ রোগ সরাতে সক্ষম । যা খুশকি প্রতিরোধ কারী চর্মরোগের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সক্ষম ।


আমরা বিভিন্ন ভাবে খুশকি প্রতিরোধ করতে পারি । কিন্তু খুশকি প্রতিরোধ করার জন্য আমরা ঘরোয়া উপায়ে ৮টি প্রতিকার ব্যবহার করতে পারি । নিচে তা বর্ণনা করা হলোঃ

  • পাকা তেতুল ভালোভাবে পানিতে মিশিয়ে নিন । মিশানো তেতুল ভালো করে চুলের গোরায় মাখিয়ে নিন । ১৫-২০ মিনিট অপেক্ষা করে শ্যাম্পু দিয়ে চুল গুলো ভালো করে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।এতে করে আপনার খুশকি অনেকটা কমে যাবে ।

  • খাটি সরিষার তেলের খৈল পানিতে ভিজিয়ে রাখার ২ ঘন্টা পর পানির সাথে মিশে গেলে সেই মিশানো পানি চুলের গোড়ায় ভালো করে মাখিয়ে নিবেন । ৫-১০ মিনিট অপেক্ষা করে ঠান্ডা পানি দিয়ে চুল গুলো ধুয়ে ফেলুন । এতে করে আপনার খুশকির সমস্যা অনেকটা দূর হবে।

  • দেশী মুরগির ডিমের সাদা অংশ ও ৩ চামচ টক দই ভালো ভাবে মিশিয়ে নিন । মিশানো অংশ চুলের গোড়ায় ভালো ভাবে মাখিয়ে নিন । ১০-১৫ মিনিট অপেক্ষা করে চুল গুলো ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন । এতে করে খুশকির সমস্যা অনেকটা দূর হবে ।

৫ চামচ টক দই ও ৩ চামচ কাগজি লেবুর রস ভালো করে মিশিয়ে নিন । এই মিশানো অংশ চুলের গোড়ায় ভালো ভাবে লাগান এবং ১০-১৫ অপেক্ষা করে চুলগুলো ভালো করে ধুয়ে ফেলুন । এটি সপ্তাহে একবার ব্যাবহার করুন ।

মেথি গুরা করে চুলের গোড়ায় লাগান । সপ্তাহে অন্তত ৩ দিন ব্যবহার করুন ।

আদার রস ও পাতি লেবুর রস ভালোভাবে মিশিয়ে চুলের গোরায় ভালোভাবে লাগান । ৫-১০ মিনিট অপেক্ষা করে ঠান্ডা পানি দিয়ে চুল গুলো ধুয়ে ফেলুন । ভাল ফল পাওয়ার জন্য সপ্তাহে ২ দিন ব্যবহার করুন ।

পেয়াজের রস চুলের গোড়ায় ভাল করে মাখিয়ে নিন । ১৫-২০ মিনিট অপেক্ষা করে চুলগুলো শ্যাম্পু ব্যবহার করে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন । এতে করে খুশকি দূর হবে ও চুল উজ্জল হবে ।

মেথি গুরা করে খাটি সরিষার তেলের সাথে ভালোভাবে মিশিয়ে চুলের গোরায় ঘসে ঘসে লাগান । ভাল ফল পাওয়ার জন্য সপ্তাহে ৩ দিন ব্যবহার করুন । এতে করে আপনার খুশকির সমস্যা দূর হয়ে যাবে ।

লক্ষ্য ও সর্তক থাকার জন্য নিচের নিয়ম গুলো অনুসরন করুন ।

  • প্রতিদিন চুল আচরড়াবেন এবং ধুলা বালি থেকে চুলকে সুরক্ষা রাখবেন ।

  • নিয়মিত ঠান্ডা পানি পান করবেন এবং সবুজ শাক-সবজি খাবেন ।

  • নিয়মিত চুল পরিষ্কার রাখবেন এবং পরিস্কার ঠান্ডা পানি দিয়ে চুল ধৌত করবেন ।
    এতে করে খুশকি হবার সম্ভাবনা অনেকটা কমে যাবে ।

খুশকি দূর করার শ্যাম্পু

  • হিমালয়া শ্যাম্পু অ্যান্টি ড্যানড্রাফ খুশকি দূর করার শ্যাম্পু খুব ভাল কাজ করে এবং এটি গোড়া থেকে চুলকে মুজবুত ও শক্ত করে তোলে ।এটি নিয়মিত ব্যবহার করলে চুল পড়া ও খুশকি এবং চুলকানি কমে যায়।

  • ট্রি টি অয়েল থাকার জন্য এটি স্ক্যাল্পকে খুশকি থেকে মুক্ত করে । মাথার ত্বক শুষ্ক ও তৈলাক্ত জাতীয় থাকার কারনে হিমালয়া অ্যান্টি ড্যানড্রাফ শ্যাম্পু ছত্রাকের আক্রমন থেকে রক্ষা করে ও খুশকি দূর করতে সাহায্য করে ।

  • এটি বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দ্বারা পরীক্ষিত একটি শ্যাম্পু । যদি আপনার খুশকির সমস্যা বেশি হয়ে থাকে তবে চুলে কিটোকোনাজল শ্যাম্পু লাগিয়ে ৪-৫ মিনিট অপেক্ষা করুন । এরপর ঠান্ডা পানি দিয়ে চুল গুলো ধুয়ে ফেলুন । এভাবে সপ্তাহে তিনবার ব্যবহার করলে আপনার খুশকি কমে যাবে ।

সিলেক্ট প্লাস শ্যাম্পু খুশকি নিরসনের জন্য খুবই উপকারি ।

আবহাওয়া ও জলবায়ু খুশকি বিস্তারের জন্য অন্যতম প্রধান কারন । এ ছাড়াও নিচের কারন গুলোর জন্য খুশকি হতে যেমনঃ

১. অতিরিক্ত বায়ু দূষণ ও অতিরিক্ত রোদে থাকার কারনে খুশকি হতে পারে ।

২. আদ্র জলবায়ু ও অতিরিক্ত ঘাম থাকার কারনে খুশকি হতে পারে ।

৩.অপরিচ্ছন্ন বিছানা ও অপরিচ্ছন্ন চিরুনি ব্যবহার করলে খুশকি হতে পারে ।

৪. অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও দূষিত পানিতে গোসল করলে খুশকি হতে পারে ।

সিলেক্ট প্লাস শ্যাম্পুঃ

খুশকির সমস্যায় যারা ভুগছেন তারা এই শ্যাম্পু ব্যাবহারে পূরো সমাধান পেতে পারেন । এতে রয়েছে কেটোকোনাজল উপাদান যা মাথার খুশকি ও সক্রমিত স্থানে ছত্রাক স্থায়ী ভাবে দূর করতে সক্ষম ।এই শ্যাম্পু যেভাবে ব্যবহার করবেন তা নিচে বলা হলো –

  • প্রথমে ঠান্ডা পানি দিয়ে চুল গুলো ভালো ভাবে ধৌত করবেন ।
  • এরপর মাথার চুলের গোড়ায় আলতো ভাবে শ্যাম্পু মাখিয়ে নিবেন ।
  • ৪-৬ মিনিট অপেক্ষা করুন ।এরপর পরিষ্কার ঠান্ডা পানি দিয়ে চুল গুলো ধুয়ে ফেলুন ।
  • এতে করে আপনার খুশকি অনেকটা দূর হয়ে যাবে এবং চুলও পরিষ্কার হবে ও উজ্জল হবে ।
  • এটি সপ্তাহে কমপক্ষে ২-৪ বার ব্যবহার করবেন । তাহলে আপনার খুশকি সম্পূর্ন চলে যাবে ।

নাইল অ্যান্টি ড্যানড্রাফ শ্যাম্পু এটিও খুশকি নিরসনের জন্য খুবই একটি ভাল শ্যাম্পু ।

  • এই শ্যাম্পু উপাদানটিতে রয়েছে লেবু , অ্যালোভেরা ও দই । এই সব উপস্থিত থাকার কারনে মাথার চুলকে খুশকির হাত থেকে মুক্ত করতে সাহায্য করে এবং চুলকে গড়ে তোলে গাড় উজ্জল ঘন ও মোলায়েম ।
  • এই শ্যাম্পুটিতে কৃত্তিম উপাদান মেশানো নয় বলে প্রাকৃতিক পদার্থ দিয়ে তৈরী বলে এখানে কোনো অ্যালার্জী হওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে । যদি ও থাকে তবে খুব কম ।

নাইল অ্যান্টি ড্যানড্রাফ শ্যাম্পুঃ

এই শ্যাম্পুটি সব ধরনের চুলের জন্য উপযগী । ছেলে এবং মেয়ে সবাই ব্যবহার করতে পারবে । প্যারাবেন নেই বললেই চলে । সালফেট মুক্ত । এর ফর্মুলাটি প্রাকৃতিক নির্যাসের দ্বারা তৈরী এবং কোন কিছুর অসুবিধা নেই । এটি অন্য শ্যাম্পু তুলনায় দামে খুব সস্তা ।

খাদি মোরি হার্বালস অ্যান্টি ড্যানড্রাফ হার্বাল শ্যাম্পুঃ

  • এই শ্যাম্পুটিতে রয়েছে নিম পাতা , হেনা পাতা , রোজমেরি ও বেসিল পাতার নির্যাস থাকে ।
  • এটি সব ধরনের চুলের জন্য উপযোগী ।
  • এটি আপনার খুশকি দূর করতে খুব সহায়তা করে ।
  • এটি আপনার প্রাকৃতিক নির্যাস দ্বারা তৈরী এবং সালফেট ও প্যারাবেন মুক্ত একটি প্রোডাক্ট ।
  • ভালো ফলাফল পেতে হলে এটি আপনারা নিয়মিত ব্যবহার করবেন ।
  • এটি একটি আয়ুর্বেদিক প্রোডাক্ট ।
  • এটি আপনার খুশকির সমস্যার সমাধানের জন্য পুরোপুরি মুক্তি দিতে পারে ।
  • এই প্রোডাকটিতে কোন কিছুর অসুবিধা নেই এজন্য সকলেই ব্যবহার করতে পারবে ।

খুশকি দূর করার উপায় শ্যাম্পু সংগ্রহ করবেন কিভাবে?

১ . চুলের ধরন অনুযায়ী আপনারা খুশকি দূর করার শ্যাম্পু ব্যবহার করুন যাতে ব্যবহার করার পর কোন সমস্যা না হয় ।
২ . যদি কোন শ্যাম্পু ব্যবহার করার পর সমস্যা দেখা দেয় তাহলে সেই শ্যাম্পুটি ব্যবহার না করাই অনেক উত্তম ।
৩ . শ্যাম্পু কেনার সময় মেয়াদ ও তারিখ দেখে কিনবেন । যাতে পুরোনো প্রোডাক্ট ব্যবহার না করেন সে দিকে আরো লক্ষ্য রাখবেন , তাতে আপনাদের সমস্যা যেন আর কোনদিন না হয় ।
৪ . অপনারা শ্যাম্পু কেনার সময় অনুমোদিত বিক্রেতার কাছ থেকে কিনবেন এবং ট্রেড র্মাক ও লাইসেন্স সহ দেখে কিনবেন যাতে নকল প্রোডাক্ট না দিতে পারে ।
৫ . শ্যাম্পু কেনার সময় গায়ে লেখা থাকা উপাদান গুলো দেখে কিনবেন যাতে কোন উপাদানে আপনার যদি অ্যালার্জী থাকে তাহলে সেই শ্যাম্পুটি কখনও কিনবেন না । এতে আপনার অ্যালার্জী সমস্যা আরো বেরে যাবে ।


খুশকির পরিমান যদি বেরে যায় তাহলে আপনারা ডাক্তারের পরামর্শ নিবেন এবং ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী শ্যাম্পু ব্যবহার করবেন । তাহলে আপনার খূশকির সমস্যা চিরতরে চলে যবে ।

খুশকি কেন হয়?

খুশকি কেন হয়
খুশকি কেন হয়

বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের অভিজ্ঞতা থেকে বলা যায় যে, খুশকি হওয়ার প্রধান কারন হলো ফাঙ্গাল ইনফেকশন ও ছত্রাক এবং এটি এক জনের চিরুনী অন্য জনের ব্যবহার করার মাধ্যমে হয়ে থাকে ।

এছাড়া ও আরো নানা ধরনের কারনে হয়ে থাকে । যেমনঃ

  • চুল পরিষ্কার পানি দিয়ে ধোয়া না হলে এবং মাথার ত্বকে ঘাম জমতে থাকলে ফাঙ্গাল ইনফেকশন আরো বেরে যায় পরে ঘাম জমে ধুলো-ময়লার সাথে মিশে খুশকি সৃষ্টি হয়ে থাকে ।

  • খুশকির কারনে মাথায় প্রচন্ড চুলকানি হয় এবং নিয়মিত চুল পড়তে থাকে ।

  • এর ফলে বিভিন্ন প্রকার সেকেন্ডারি ব্যাকটেরিয়াল বা ছত্রাক জনিত সংক্রমন হওয়ার কারনে এর আক্রমন আরো বেড়ে যায় । এর ফলে আরও খুশকির সৃষ্টি হয়ে থাকে ।

  • আবার এক জনের বিছানার বালিশ অন্য জন ব্যবহার করলে ও খুশকির সৃষ্টি হতে পারে । এজন্য আমাদের সর্তক থাকতে হবে ।

যেসব কারনে খুশকি হয়ে থাকে

যেসব কারনে খুশকি হয়ে থাকে
যেসব কারনে খুশকি হয়ে থাকে

১. চুলের গোরায় মাথার ত্বকে এক ধরনের ইস্ট বা ছত্রাক এর জীবানুর সংক্রমন সংখ্যায় বেশি হলে খুশকি হতে পারে ।
২. অনেকে আবার বংশগত কারনে খুশকির সম্যস্যায় ভুগেন ।
৩. তেল গ্রন্থি থেকে ত্বকের তৈলাক্ত অংশ বেশি পরিমানে নিঃসৃত হলে খুশকি হতে পারে । খুশকি কোন ছোয়াচে রোগ নয় ।
৪.অতিরিক্ত ধুলা-বালি ও শরীরের হরমোনের সমস্যার কারনে হয়ে থাকে ।
৫. চুলে যদি ময়লা জমে এবং তা যদি ভালোভাবে পরিষ্কার করা না হয় তাহলে খুশকি হওয়ার সম্ভাবনা আরও অনেকটা বেড়ে যাবে ।
৬. গরম পানি দিয়ে গোসল করলে খুশকি হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে ।
৭. চুলে অতিরিক্ত ময়লা থাকার কারনে বা চুল যদি নিয়মিত ধোয়া না হয় তবে খুশকি হতে পারে ।
৮. ফাঙ্গাস সংক্রমনের কারনে আপনার খুশকি হয়ে থাকে । অনেক দিন ধরে আপনার চুল ধোয়া না হলে ফাঙ্গাস হওয়ার ঝুকি থাকে ।
৯.আমাদের খাদ্যের ‍উপর চুল ও ত্বকের গভীর প্রভাব ফেলে । তাই পানি পান খুব কম করলে ও অপুষ্টি কর খাদ্য গ্রহন করলে খুশকির সমস্যা আরো বেরে যেতে পারে ।
১০. অতিরিক্ত চিন্তার ফলে তা মাথার ত্বকের উপর গভীর প্রভাব ফেল, যার ফলে খুশকির সমস্যা আরো বেড়ে যায় ।
১১. আমরা যদি প্রতিদিন খুব বেশি পরিমান তেল ব্যবহার করে থাকি তাহলে আমাদের খুশকি হতে পারে ।
১২.খুশকি অটোইমিউন ও ডিসঅর্ডার এবং চুলের শুষ্কতার কারনে হয়ে থাকে ।

আমাদের চুল ও ত্বক খুবই একটি সংবেদনশীল অঙ্গ । তাই চুল ও ত্বকের জন্য ব্যবহার করা প্রয়োজন মান-সম্পন্ন পন্য সামগ্রী । আবার চুল ও ত্বকের সঙ্গে এই প্রোডাক্টি মানাচ্ছে কিনা তাও জানতে হবে ।

২-৩ বার ব্যবহারের পরেই লক্ষ্য করতে হবে প্রোডাক্টিতে কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া আছে কিনা ।যদি পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া থাকে তবে এই প্রোডাক্ট ব্যবহার করা যাবে না ।

তাই উপরের এসব আলোচনা থেকে বলা যায় যে , এসব কারনে আমাদের মাথায় খুশকি হয়ে থাকে ।

Leave a Comment