চুল পড়া বন্ধ করার উপায়। চুল সিল্কি করার উপায়। চুল পড়ার কারণ। চুল পড়া বন্ধ করার তেল

চুল পড়া বন্ধ করার উপায় হলো চুল নিয়মিত পরিষ্কার করে রাখা। চুল পড়া সমস্যায় নারী-পুরুষ উভয়ে ভোগেন। তবে পুরুষ যারা তারা বেশির ভাগ সময় বাহিরে থাকেন তাই তাদের চুল বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। নারীরা তাদের চুলের যতটা যত্ন নেন, পুরুষেরা তার এক ভাগও নেন না। বেশির ভাগ পুরুষের অল্প বয়সে চুল পরে যায়। অনেকের চুল পড়ে মাথা টাক হয়ে যা।

চুল পড়া নিয়ে বেশি চিন্তা করার কোন কারণ নেই। জীবনযাত্রার পরিবর্তন ও ঘরোয়া পদ্ধতিতে চুল পড়া বন্ধ করা যায়।
চলুন জেনে আসি সেই পদ্ধতি গুলো

১। নিয়মিত আমাদের চুল পরিষ্কার করতে হবে। এতে করে আপনার চুলের গোড়ায় জমে থাকা ময়লা গুলো সহজেই দূর হয়ে যায়। ফলে আপনার চুল পড়া বন্ধ হয়। আপনি যদি চুল অপরিষ্কার রাখেন তাহলে খুশকি ও সংক্রমণ আশঙ্কা বেড়ে যায়।

২। চুল পড়া বন্ধ করার উপায় হলো আপনি চুলের গোড়ায় ভিটামিন ই ব্যবহার করতে পারেন। ভিটামিন ই আপনার মাথার ত্বকের রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে দেয়। এতে করে আপনার চুলের ফলিকল উৎপাদনশীল থাকে। এছাড়াও ভিটামিন ই আপনার চুলের স্বাস্থ্যকর রং বজায় রাখে।

৩। আপনি কখনো ভেজা চুল আচঁড়াবেন না। অনেক নারী বা পুরুষ এই বিষয়টি মানেন না। চুল ভেজানোর পর চুলের গোড়া নরম হয়ে যায় ফলে চুল আচঁড়ালে আপনার চুল পড়া সম্ভবনা বেড়ে যায়।

৪। গবেষণা করে দেখা গেছে, গ্রিন টি ব্যবহারের ফলে আপনার চুল পড়া কমতে পারে। এজন্য আপনি এক কাপ পানিতে দুইটি গ্রিন টি মিশিয়ে নিন। তারপর ঠাণ্ডা করে আপনার চুলের আগা থেকে গোড়া পর্যন্ত দিন। এক ঘণ্টা পর ধুয়ে ফেলুন। ৮-১০ দিন ব্যবহার করুন এতে করে আপনার চুল পড়া বন্ধ হবে।

৫। আপনি চাইলে ঘরোয়া পদ্ধতিতে চুল পড়া বন্ধ করতে পারেন । সে পদ্ধতি গুলো হলো আপনি রাতে ঘুমানোর আগে, রসুন,আদার রস, পেঁয়াজ ব্যবহার করতে পারেন। তারপর এটি সারারাত রেখে দিন তারপর সকালে ঘুম থেকে উঠে ধুয়ে ফেলুন। কিছুদিন এই পদ্ধতি ব্যবহার করুন দেখবেন হাতেনাতে প্রমান পাবেন।

৬। আপনি মেথির মাধ্যমে চুল পড়া বন্ধ করতে পারেন। আধা কাপ নারিকেল তেলে মেথি দিয়ে তারপর কয়েক মিনিট ফুটিয়ে নিন। তারপর ঠাণ্ডা হলে আপনার চুলের গোড়ায় লাগান। এতে আপনি অনেক উপকার পাবেন।

৭। আপনি আপনার চুলে অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করতে পারেন। সাপ্তাহে দুইদিন আপনি আপনার চুলে অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করতে পারেন । অ্যালোভেরা পাতা থেকে জেল সংগ্রহ করে আপনার চুলের আগা থেকে গোড়া পর্যন্ত ব্যবহার করুন। ২০ মিনিট পর ভালো শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

৮। আপনি আপনার চুলে নিমপাতা ব্যবহার করতে পারেন। ত্বক ও চুলের জন্য নিমপাতা অনেক উপকারি। নিম পাতায় রয়েছে উচ্চমাত্রা ফ্যাটি অ্যাসিড, যা আপনার মাথার ত্বকের জন্য উপযুক্ত। আপনার মাথার ত্বক ভালো থাকলে আপনার চুল বৃদ্ধি পাবে। যারা চুল পড়া নিয়ে চিন্তা করছে তাদের জন্য এই উপাদানটি খুব উপকারি। নিয়মিত নিমপাতা ব্যবহার করলে আপনার চুলের গোড়া শক্ত হবে। নারিকেল তেলের সাথে নিম এর রস মিশিয়ে চুলে দিতে পারেন এতে আপনার চুল দ্রুত লম্বা হবে।

চুল ঘন করার উপায়

চুল ঘন করার উপায়
চুল ঘন করার উপায়

আপনার চুল দেখতে অনেক সুন্দর। তা যদি নিয়মিত পড়তে থাকে এবং পাতলা হয়ে যায়। তা দেখতে ভালো দেখা যাবে না। একসময় আপনার স্বাভাবিক সৌন্দর্য হারাতে বাধ্য। কিছু কারণে আপনার চুল পাতলা হতে পারে

  • যেমন মানসিক নানা চাপ
  • শারীরিক অসুস্থতা এবং
  • পরিবেশ দূষনের কারনে হতে পারে।

আমরা অনেকেই চুলে নানা ধরনের কেমিক্যাল ব্যবহার করে থাকি তার কারণেও আপনার চুল পাতলা হতে পারে।

এভাবে যদি আপনার চুল পড়তে থাকে তাহলে এর দ্রুত সমাধান দরকার। যে কারনেই চুল পড়ুক না কেনো নিয়মিত যত্ন নিলে আপনার চুল ঘন হবে।

চলুন জেনে আসি কি করলে চুল ঘন হবে বা চুল পড়া বন্ধ করার উপায় কি

প্রোটিনে ভরপুর খাবার খান : আপনার খাবরে যদি যথেষ্ট পুষ্টি না থাকে সেই প্রভাব চুলে পড়বে। মাছ,ডিম,দুধ, দই বা ছানা এগুলো আপনার নিয়মিত খেতে হবে। এছাড়াও ব্রোকোলি, পালংশাক, বাঁধাকপির মতো সবুজ শাকসবজি আপনার চুলের কেরাটিন মজবুত করে ও চুলকে ঘন করে তুলে। কমলালেবু, পেয়ারা স্ট্রবেরির মতো ফলও আপনি নিয়মিত খেতে পারেন।

প্রাকৃতিক উপাদান :

আপনি চাইলে প্রাকৃতিক উপাদানের মাধ্যমে চুল ঘন করে তুলতে পারেন। ক্যাস্টর অয়েল, নারিকেল তেল, পেঁয়াজের রস, অ্যালোভেরা জেলের মতো সাধারণ উপাদানে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন রয়েছে যা আপনার চুলকে ঘন করতে ম্যাজিকের মতে কাজ করবে। এই উপাদান দিয়ে আপনি নিজেই তৈরী করে নিন আপনার নিজস্ব পেস্ট। তারপর এই পেস্ট আপনার চুলে দিয়ে ৩০মিনিট অপেক্ষা করুন। তার পর ধুয়ে ফেলুন। এভাবে আপনি প্রতি সাপ্তাহে একবার ব্যবহার করতে পারেন। এতে করে আপনার চুল ধীরে ধীরে ঘন হবে।

উন্নত মানের হেয়ার প্রডাক্ট ব্যবহার করুন :


ভালো মানের শ্যাম্পু, তেল, কন্ডিশনার আপনার চুলকে ভালো রাখতে সাহায্য করে। চুল উঠা, খুসকি, শুষ্কতার মতো সমস্যা কমিয়ে আপনার চুলকে ভালো রাখে।

যোগাসনে এর মাধ্যমে :

আপনি যোগাসনের মাধ্যমে আপনার পাতলা চুল ঘন ও মজবুত করতে পারেন। যোগাসন করলে আপনার শরীরে রক্ত সংবহন করে এবং নতুন কোষ তৈরী করে থাকে।

চুল সিল্কি করার উপায়

চুল সিল্কি করার উপায়
চুল সিল্কি করার উপায়

সুন্দর ও ঝলমল চুল দেখতে আমরা সবাই পছন্দ করি তাই আামাদের কে জানতে হবে চুল পড়া বন্ধ করার উপায়। প্রত্যেক নারীরই ইচ্ছা থাকে সুন্দর ঝলমলে শাইনি চুলের। ছেলেরাও আজকাল এই দিক দিয়ে পিছিয়ে নেই। তারা তাদের প্রিয়জনের কাছে নিজেকে উপস্থাপন করার জন্য তারাও স্টাইলিস চুল পেতে চায়। আমরা অনেকেই আমাদের চুল সোজা ও সিল্কি করার জন্য পার্লারে গিয়ে থাকি। তবে ঘরোয়া কিছু উপায়ে আপনি আপনার চুলকে সিল্কি করে তুলতে পারেন। আপনি যদি নিয়মিত এই পদ্ধতি গুলো ব্যবহার করুন তাহলে আপনার চুল সোজা ও সিল্কি করে তুলতে পারেন।

চলুন যেনে নেই সে পদ্ধতি গুলো

১। অ্যালোভেরা দিয়ে চুলের সিল্কি করার উপায় :

আমাদের রুপচর্চায় অ্যালোভেরা জেল খুব উপকারি। পাশাপাশি এটি আমাদের চুলেরো অনেক উপকার করে থাকে। নিয়মিত অ্যালোভেরা জেল চুলে ব্যবহার করলে আপনার চুল হয়ে উঠবে সিল্কি ও শাইনি।
সাথে যদি আপনি লেবুর রস মিশিয়ে নিতে পারেন তাহলে আপনার চুল অনেক বেশি সিল্কি হবে। আপনি প্রথমে আপনার চুলকে ভালো ভাবে শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে নিন তার পর অ্যালোভেরা আর লেবুর রসের পেস্টটা ব্যবহার করুন। দেখবেন আপনি অনেক ভালো ফলাফল পাবেন।

৩। হেয়ার সিরাম :

  • কোঁকড়া চুল, চুল সিল্কি ও সোজা করার উপায় হিসেবে হেয়ার সিরাম এর উপকারিতা অনেক।

  • আপনি চাইলে এই সিরামটি ঘরেই তৈরী করতে পারেন।

  • চা পাতি, ভিটামিন-ই ক্যাপসুল ও অ্যালোভেরা জেল দিয়ে আপনি এই সিরামটি তৈরী করতে পারেন।

  • এটি আপনার চুলের পুষ্টি জুগিয়ে চুল করে সুন্দর ও ঝলমলে

  • আধা কাপ পানিতে ২ চামচ চা পাতি দিয়ে দুই মিনিট ফুটিয়ে নিন। এরপর চায়ের লিকার এর মধ্যে দুই চামচ অ্যালোভেরা জেল ও দুইটি ক্যাপসুল দিয়ে মিক্স করে নিন। তারপর এটি আপনি ফ্রিজে সংরক্ষণ করে ৪-৫ দিন ব্যবহার করতে পারেন।

৪। ডিম ও দুধের হেয়ার প্যাক :

ডিম যেমন আমাদের রুক্ষ চুলে পুষ্ট জুগিয়ে চুলকে করে তুলে ঝলমলে। তেমনি কাচা দুধ চুলকে সিল্কি করতে সাহায্য করে। হাতের কাছে থাকা চারটি উপকরণ দিয়ে এই হেয়ার মাক্সটি তৈরী করতে পারেন। আপনাকে প্রথম একটি বাটিতে ডিম নিতে হবে। এরপর আপনাকে ৩ চামচ কাচা দুধ, ২ চামচ অলিভ অয়েল, ২ চামচ মধু এইসব উপকরণ এক সাথে মিশিয়ে নিতে হবে। তাহলে তৈরী হয়ে যাবে আপনার হেয়ার মাক্স।

চুল পড়া বন্ধ করার তেল

স্কাল্পে যখন স্টিমুলশন ও পুষ্টির অভাব হয় তখনই চুল পড়তে শুরু হয়। স্কাল্পে সঠিক তেল ম্যাসাজ করলে নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে। কারণ এই তেল গুলো স্কাল্প ও চুলের ফলিকলকে করে আপনার চুল গজাতে সাহায্য করে। এই তেল গুলো অনেক সুগন্ধিযুক্ত। চলেন জেনে নেই চুল পড়া বন্ধ করার উপায় এবং তেল গুলোর নাম ও ব্যবহার ।

রোজমেরি অয়েল :

রোজমেরি অয়েল আপনার রক্তনালী প্রসারিত করে এবং কোষের সংখ্যা বৃদ্ধি করে যা আপনার চুল গজাতে সাহায্য করে। এটি আপনার স্কাল্পে অক্সিজেন সরবরাহ করে পুষ্টি যোগায়। এটি আপনার চুলকে ঘন করে। নারিকেল তেলের সাথে ৫-৬ ফোঁটা রোজমেরি অয়েল মিশিয়ে নিন। তারপর এটি আপনার স্কাল্পে লাগান। ১৫-২০ মিনিট মাথায় রেখে ভালো শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

বার্গামট অয়েল :

বার্গামট অয়েল হলো এন্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান সম্পন্ন এবং এটি স্বাস্থ্যকর স্কাল্পের জন্য উপযোগী তেল। এটি আপনার স্কাল্প ঠাণ্ডা রাখে এবং ফোড়া বা অতিরিক্ত ঘামের মতো সমস্যা দূর করে। প্রদাহ বা ইনফ্লেমেশনও চুল পড়ার জন্য দায়ী হতে পারে। এটি আপনি নারিকেল তেলের সাথে ৩-৪ ফোঁটা তেল মিশিয়ে দিন। তারপরে ধুয়ে ফেলুন।

লেমনগ্লাস অয়েল :

লেমনগ্লাস অয়েল চুলে খুসকি কমাতে সাহায্য করে। আমাদের চুল পড়ার অন্যতম কারণ খুসকি। লেমনগ্লাস তেল অনেক সুগন্ধি এবং ড্রাই স্কাল্পের সমস্যা দূর করে। নিয়মিত যে শ্যাম্পু বা কন্ডিশনার ব্যবহার করুন তার সাথে ৩-৪ ফোঁটা লেমনগ্লাস তেল মিশিয়ে নিন। পরে নিয়মিত ব্যবহার করুন।

আপনি ঘরোয়া উপায়ে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন।

১, সরিষা তেল,ধনিয়া গুড়াঁ ও লেবুর রস ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। তারপর চুলে ব্যবহার করুন। এতে আপনার চুল অনেক শক্তিশালী ও মুজবুত হবে।

২,সরিষা তেল ও অ্যালোভেরা জেল মিশিয়ে চুলে ব্যবহার করুন।

২। পাকা কলা :

পাকা কলা আমাদের চুলের রুক্ষতা দূর করে। সেই সাথে টকদই ও মধু আমাদের চুল সিল্কি করতে সাহায্য করে। হ্যাঁ একটা কথা আপনার মনে রাখতে হবে চুল পড়া বন্ধ করার উপায় হিসাবে আপনি মিষ্টি দই ব্যবহার করতে পারবেন না। আপনি চাইলে ঘরে বসেই টক দই তৈরী করতে পারেন। প্রথমে একটি কলা ভালো ভাবে চটকে নিতে হবে। তারপর ২ চামচ মধু ও ৩-৪ চামচ টকদই নিয়ে একটি পেস্ট তৈরী করুন। তারপর এটি আপনার চুলে ভালো ভাবে লাগিয়ে নিতে হবে। ৩০-৪০ মিনিট অপেক্ষা করে তারপর ভালো শ্যাম্পু দিয়ে মাথা ধুয়ে ফেলুন।

পাকা কলা চুলের জন্য অত্যন্ত উপকারি একটি ফল। পাকা কলা, টকদই, মধু এই তিনটি উপকরণ দিয়ে খুব সহজেই প্যাকটি তৈরি করতে পারেন। আপনি এই তিনটি উপকরণ যদি আপনার চুলে লাগান তাহলে আপনার চুল সুন্দর ও ঝলমলে হয়ে উঠবে।

চুল পড়ার কারন

চুল পড়ার কারন হলো পানি শূন্যতা , ধুমপান ও মদ্যপান । নিম্নে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো :

  • আপনার শরীরে যদি পানি শূন্যতা অভাব থাকে তাহলে আপনার চুল পড়ার পরিমাণ বেড়ে যায়। যদি দেখেন চুল পড়ার পরিমাণ বেড়ে যাচ্ছে তাহলে বুঝবেন আপনার শরীরে পানিশূন্যতা রয়েছে। তাই চুল পড়া বন্ধ করার উপায় হলো প্রতিদিন ৩-৪ লিটার পানি পান করতে হবে।
  • ধুমপান ও মদ্যপানের কারণে আপনার চুল পড়তে পারে। ধুমপানের কারণে আপনার মাথার ত্বকের প্রবাহিত রক্তের পরিমাণ কমে যায়। ফলে আপনার চুলের বৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হয়। তাই আামদের ধুমপান থেকে দূরে থাকতে হবে।
  • অনেক সময় খাদ্য অভ্যাস এর কারণে এবং শরীরে প্রোটিন এর ঘাটতির ফলে চুল পড়ে থাকে। তাই আমাদের খাদ্যতালিকায় প্রোটিন যুক্ত খাবার রাখতে হবে। এগলো আপনার স্বাস্থ্য উন্নীত করে এবং চুল পড়া বন্ধ করে।

অতিরিক্ত চুল পড়া বন্ধ করার উপায়

বংশগত সমস্যা ছাড়াও আামদের খাদ্য অভ্যাস ও জীবনযাপনের প্রভাব চুল পড়তে পারে। তাই বেশি চুল পড়লে নিজের দিকে নজর দেওয়া উচিত।

চুল পড়া বন্ধ করার উপায় গুলো জেনে নেই

শ্যাম্পু :

আপনার চুলের যত্নে মাথার ত্বকের ধরন বোঝা এবং সে অনুযায়ী সঠিক শ্যাম্পু নির্বাচন করা প্রয়োজন। মাথার ত্বকের অবস্থা দেখে চুল পরিষ্কার করা উচিত। আপনার মাথার ত্বক যদি শুষ্ক হয় তাহলে অতিরিক্ত ধুওয়ার কারণে আপনার চুল পড়তে পারে। এবং আপনার মাথার ত্বক যদি তৈলাক্ত হয় তাহলে সাপ্তাহে ২-৩ দিন ধুতে হবে।

কন্ডিশনার :

উন্নত কন্ডিশনার আমাদের চুলের জন্য উপকারি। এতে রয়েছে অ্যামিনো অ্যাসিড ক্ষয় পূরণ করে চুলকে মসৃণ করে তুলে।

খাদ্য অভ্যাস ও শরীরচর্চা :

আপনি যতই ভালো পন্য ব্যবহার করেন না কেনো যদি আপনার খাদ্যভ্যাস ঠিক না থাকে তাহলে কোন কাজ হবে না। পাশাপাশি আপনাকে শরীরচর্চা করতে হবে।
আপনাকে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন ও লৌহ ধরনের খাবার প্রতিদিন খেতে হবে। এতে করে আপনার চুলের পুষ্টি চাহিদা পূরণ হবে।

তেল ব্যবহার :

মাথার ত্বকের রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে তেলের কোন বিকল্প নেই। আপনার মাথার ত্বকের জন্য যে তেল ভালো সে তেল আপনি সাপ্তাহে একবার ব্যবহার করতে পারেন।

নিয়মিত চুল ছাঁটায় করা :

আমাদের চুলের নিচের অংশ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। নিয়মিত চুল ছাঁটাই করলে চুলের স্বাস্থ্য ভালো থাকে। নিয়মিত চুল কাটলে আপনার চুল সুন্দর দেখা যায়।

রাসায়নিক উপাদান :

যেমন-স্ট্রেইট করা, রং করা ইত্যাদি আমাদের চুলকে ক্ষতি করে। এছাড়াও তাপীয় যন্ত্রের ব্যবহারের চুলের ক্ষতি হয়ে থাকে তাই চুল পড়া বন্ধ করার উপায় হিসাবে আমাদের এইগুলো ব্যাবহার করা যাবে নাহ।

আলুর রস চুলের গোড়ায় লাগিয়ে কিছুক্ষণ ম্যাসাজ করুন। আধা ঘণ্টা পর কুসুম গরম পানি ও শ্যাম্পু দিয়ে আপনার চুল গুলো ধুয়ে ফেলুন।

অর্ধেক আলুর রস ও নারিকেল তেল মিশিয়ে চুলে ব্যবহার করুন। কিছুক্ষণ পর শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

Leave a Comment